ওদের জন্য –

যারা কাঁচ আর কল্পনা দিয়ে

আবিষ্কার করেছিল নক্ষত্র।

যারা বাতাসের চোখে

মেলেছিলো পাল –


- বায়রন।

রবিবার, ১০ জুলাই, ২০১১

পাতালরেলে -

শ্যারন ওল্ডস


GK ‡Rvqvb †Q‡j Avi Avwg gy‡LvgywL e‡m|

Ii wekvj cv‡qi †P‡Uv Kv‡jv Ry‡Zvq XvKv,

Zvi Ici w`‡q mv`v wd‡Zi Q‡›`ve× AvovAvwo AvuwKeywK P‡j †M‡Q

A™¢zZ ÿZwP‡ýi g‡Zv| Avgiv AvU‡K AvwQ

ewMi `yÕcÖv‡šÍ, KZK¸‡jv BZt¯ÍZt cigvYyi SuvK

e›`x GKUv Av‡jvi cvB‡c, Qz‡U hv‡”Q

wbKl AÜKv‡ii g‡a¨| Ii †Pv‡L Lybxi Pvcv `„wó aKa‡K

kvšÍ| bvwK cy‡ivUvB Avgvi Kíbv? †Q‡jUvi RvgvKvco

UKU‡K jvj, †hb kix‡ii †fZiUv D‡ë P‡j G‡m‡Q

evB‡i| Avgvi kix‡i Rov‡bv cy‡iv‡bv ck‡gi Rvgv, GKUv

Rv‡bvqv‡ii †K‡U †bqv Pvgov, e¨eüZ| Avwg ZvwK‡q AvwQ

Ii KK©k gy‡Li w`‡K| Avi Ii `„wó AvU‡K Av‡Q

Avgvi †Kv‡Ui Ici - Ges Avwg Rvwbbv, Avwg wK

Ii nv‡Zi gy‡Vvq - I Avgvi ‡KvUUv †K‡o wb‡Z cv‡i mn‡RB, Zvi mv‡_

Avgvi eªxd‡Km, Avgvi RxebUvI - bvwK

I Avgvi nv‡Zi gy‡Vvq? †hfv‡e Avwg Ii RxebUv‡K

Pz‡l wbw”Q, nq‡Zvev Ii cÖvc¨ gvsm ev gv‡Qi UzK‡ivUv

bvwg‡q w`w”Q Mjvq| Ii gy‡Li Lvevi †K‡o wbw”Q Anin|

Ii kixi Kv‡jv, Avgvi mv`v, Ges †Kv‡bv KviY ev A_© QvovB

Avwg jvfevb nw”Q Ii Nv‡oi Ici cv †i‡L|

†hfv‡e I GB †`kUvi Kj‡R †_‡K †ewi‡q Avmv w_Kw_‡K AÜKvi‡K

ï‡l wb‡”Q Ii kixi w`‡q, Kv‡jv Kvco m~‡h©i Zvc a‡i wb‡q

AvU‡K iv‡L †hgb K‡i| Avgvi mv`v Pvgov Avgvi RxebUv‡K KZ †mvRv K‡i w`‡q‡Q

Zv Rvbvi †Kv‡bv Dcvq †bB, hw`I GB RxebUvB I †f‡½ Muy‡ov K‡i w`‡Z cv‡i mn‡RB,

†hfv‡e Avwg †f‡½ w`‡qwQ Ii †giæ`ÛUv| †hUv Ii R‡b¥i mgq wQ‡jv

Zij Avi AÜKvi, GKUv ex‡Ri g‡a¨Kvi cÖv‡Yi g‡ZvB, meyR,

hv †Kvb GKUv Av‡jv †c‡jB gvwU †f` K‡i

Av‡jvevZv‡m `uvov‡Z cvi‡Zv|

শনিবার, ২ জুলাই, ২০১১


নিউইয়র্কে, একটা সূর্যাস্তের নীচে -

শ্যারন ওল্ডস



বছরের সবচে লম্বা দিনের শেষটায় এসে তার আর সহ্য হোলো না –

লোহার সিঁড়িটা বেয়ে সে চলে গেলো দালানের ছাদের

আলকাতরা মাখানো নরম চাতালের ওপর খালিপায়ে

একদম কিনারায়, ঝুলে থাকা কারুকার্যের ওপর এক পা বাড়িয়ে দিলো,

আর বললো, ওরা যদি এক পা এগোয়, তাহলেই সব শেষ।

পৃথিবী নামের এই বড় যন্ত্রটা তখন লোকটার জীবন বাঁচানোর তোড়জোড় শুরু করলো,

পুলিশের দল এগিয়ে এলো, তাদের ইউনিফর্ম নীলচে – ধূসর, মেঘলা বিকেলের আকাশের মতো,

আরেকজন পরে নিলো বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট –

তার জীবন, তার পরিবারের রুটিরুজির চারধারে একটা কালো বর্ম,

আরেকজন, শরীরের আড়াআড়িতে একটা দড়ি বেঁধে

পাশের দালানের ছাদ থেকে ঝুলতে ঝুলতে এগোলো সন্তর্পণে

প্রায় আত্মঘাতী লোকটার দিকে।

সবচে’ লম্বা পুলিশটা সরাসরি পা বাড়ালো,

নরম, নীচুস্বরে আস্তে আস্তে কথা বলতে বলতে

লোকটার পা তখনো অনন্ত পরকালের ঠোঁটের ওপর ঝুলে আছে

নীচের রাস্তায় দর্শনার্থীরা স্তম্ভিত উৎকণ্ঠিত নিস্তব্ধ

দমকলকর্মীরা বেছালো ছোট ছোট চতুষ্কোণে ভরা জাল

যেন প্রসবের পর নবজাতককে ধরবার আয়োজন,

সবাই এগিয়ে এলো একটু একটু করে

লোকটার দুধেল শার্ট ধবধবে জ্বলজ্বলে, যেন

কোনো অন্ধকার ল্যাবরেটরিতে একটা থালার ওপর দপদপিয়ে ওঠা রহস্যময় কিছু,

আর তখনই সবকিছু গেল থেমে –

লোকটার শরীর ঝাঁকুনি দিয়ে উঠলো – পা নেমে এলো একধাপ নীচে

তারা আরও কাছে সরে এলো, আমি মনে করলাম

এবার লোকটা মার খাবে বোধহয়, একটা হারানো বাচ্চা যেমন চড় – থাপ্পড় খায়

যখন ফিরে যায় মায়ের কাছে, ওরা লোকটাকে

হাত ধরে টেনে নিয়ে চিমনির দেয়ালের সাথে ধরলো চেপে

লম্বা পুলিশটা একটা সিগারেট ধরিয়ে

লোকটার হাঁসফাঁস করা ঠোঁটে গুঁজে দিলো, এবং

তারা সবাই সিগারেট ধরালো তারপর

জ্বলতে থাকা ছোট ছোট কাঠকয়লার মতো ধিইয়ে উঠলো লাল আগুনগুলো

সভ্যতার শুরুতে যেভাবে আমরা আগুন জ্বেলে বসে থাকতাম –

সেভাবে।


রচনাকাল ১৯৮৭




শুক্রবার, ১ জুলাই, ২০১১

'The Truly Great' by স্টিফেন স্পেন্ডার


আমার শুধু ওদের কথা মনে হয়,

যারা ছিলো সত্যিকারের স্রষ্টা।

যারা গর্ভ থেকেই স্মরণ করেছিল আত্মার ইতিহাস

আলোর পথ ধরে, যেখানে প্রহরগুলো অন্তহীন সূর্যের গানে

স্নান করে –

যাদের ছিলো একটাই ভালবাসা, একটাই ইচ্ছা

যে ওদের ঠোঁটে থাকবে আগুনের স্পর্শ। ওরা বলবে

ওদের সুরে জড়ানো অস্তিত্বের কথা। ওরা সবাই জেগে থাকবে

মহাকালের এক বসন্তবৃক্ষের তলে। প্রকৃতির লুকোনো ইশারাগুলো

ওদের ছোঁয়া দেবে, ঝরে পড়া পাপড়ির মতো।


ওরা ছিলো আমাদের মাঝে, ওরা থাকবে,

ওদের রক্তে কাঁপতে থাকা আনন্দ শুষে নেবে অমরত্বের স্রোত

এই পৃথিবীর আগে – বহু পাথর – বহু সময়ের ভাঙাগড়া

পাড়ি দিয়ে। ওরা দ্বিধা করবে না সুন্দর আলোর সকালকে

ছুঁয়ে দিতে – ওরা মত্ত হয়ে যাবে

শেষ বিকেলে ভালবাসার আলিঙ্গনে। এই পৃথিবীর শব্দ, কুয়াশা – কষ্টের মাঝেও

ঝলসে উঠবে ওদের গান।


তূষারের কাছে, সূর্যের কাছে, ঐ উঁচু পাহাড়ের বুকে,

দেখো, ওদের নামগুলো দোলা দিয়ে যাচ্ছে সবুজ ঘাসের স্রোতে,

আর বাস্পে ভরা জাহাজের মতো সাদা মেঘের আনাগোনায়।

আকাশের কানে, বাতাসের কথায় ওদের নামের প্রতিধ্বনি,

যারা জীবনে সংগ্রাম করেছিলো জীবনের জন্য,

আর হৃদয়ে ধরে রেখেছিলো জ্বলন্ত আগুনের পিন্ড।

যারা ছিলো সূর্যের সন্তান, মুহূর্তের জন্য হেঁটেছিল সূর্যের দিকে

আর ইতিহাসের গায়ে লিখে গিয়েছিল নাম।


রচনাকালঃ ১৯৫৫